নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি’র আওতায় ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি শুরু করেছে সরকার। এ কর্মসূচির অধীনে তালিকাভুক্ত কার্ডধারীরা প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল কিনতে পারবেন। গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া এই চাল বিক্রি কার্যক্রম আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত টানা চার মাস চলবে। এরপর দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭ সালের মার্চ ও এপ্রিল—এই দুই মাস পুনরায় চাল বিক্রি করা হবে।
গতকাল সোমবার খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
উল্লেখ্য, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ‘খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি’ চালুর সময় এই চালের দাম ছিল কেজিপ্রতি ১০ টাকা। পরবর্তীতে ২০২২–২৩ অর্থবছর থেকে প্রতি কেজিতে ৫ টাকা বাড়িয়ে তা ১৫ টাকা করা হয়। নিবন্ধিত সুবিধাভোগীরা নির্ধারিত ডিলারদের কাছ থেকে এই চাল সংগ্রহ করতে পারবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে খাদ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে দেশে খাদ্যের মজুত অত্যন্ত সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে। গত ২ আগস্টের হিসাব অনুযায়ী দেশে মোট খাদ্য মজুত রয়েছে ২৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৮৫ টন।
বর্তমানে মজুতের বিস্তারিত:
মূলত গ্রামাঞ্চলের সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠী—বিশেষ করে বিধবা, বয়স্ক ব্যক্তি, পরিবারপ্রধান নারী এবং নিম্ন আয়ের দুস্থ পরিবারগুলোকে এ কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
সরকারের সমীক্ষা অনুযায়ী, বছরে ছয় মাস (মার্চ-এপ্রিল এবং আগস্ট থেকে নভেম্বর) গ্রামীণ অর্থনীতিতে কর্মসংস্থান ও আয় তুলনামূলক কম থাকে। এসব সময় দুস্থ মানুষের প্রোটিন ও খাদ্যচাহিদা মেটাতে সরকার ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে বড় অঙ্কের ভর্তুকি দিয়ে থাকে।