Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ বিবেকবার্তা

প্রচ্ছদ / জাতীয়
৯:২৭ অপরাহ্ণ, ৩১ জুলাই ২০২৬

ভারতে বসে রাজনীতি করতে পারবেন না হাসিনা, জানাল মোদি সরকার

ভারতে বসে রাজনীতি করতে পারবেন না হাসিনা, জানাল মোদি সরকার
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলতি বছরের শেষ নাগাদ দেশে ফেরার কথা বলার প্রেক্ষাপটে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভারতের মাটিতে বসে তিনি কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে পারবেন না। শুক্রবার দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের বক্তব্য তুলে ধরে সংবাদমাধ্যমটি বলেছে, ভারত থেকে বাংলাদেশে ফেরামাত্রই শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে।

ভারতের লোকসভার পররাষ্ট্রবিষয়ক স্থায়ী সংসদীয় কমিটিকে দেওয়া বক্তব্যে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে ঢাকার আবেদনের বিষয়টি ভারতীয় আইন ও নিয়মমাফিক পর্যালোচনার অধীন রয়েছে।

কংগ্রেস এমপি শশী থারুরের নেতৃত্বাধীন এই সংসদীয় কমিটি উল্লেখ করেছে, গুরুতর বিপদ বা প্রাণসংশয়ে পড়া ব্যক্তিদের আশ্রয় দেওয়ার যে হাজার বছরের মানবিক ঐতিহ্য ভারতের রয়েছে, সেই নীতিতেই শেখ হাসিনাকে সেখানে থাকতে দেওয়া হয়েছে।

তবে কমিটি আরও উল্লেখ করে, এই মানবিক আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারত সবসময় একটি কঠোর নীতি মেনে চলে—আর তা হলো, ভারতের মাটিকে ব্যবহার করে অন্য কোনো দেশের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে দেওয়া যাবে না।

‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক সর্বশেষ প্রতিবেদনে কমিটি সুপারিশ করেছে, ভারতের উচিত এই নীতিগত ও মানবিক অবস্থান ধরে রাখা এবং একইসঙ্গে পুরো বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সঙ্গে সামাল দেওয়া।

সংসদীয় এই কমিটি বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া দ্রুত স্বাভাবিক করার ওপর জোর দিয়েছে। ভিসা সীমিত থাকার কারণে দুই দেশের সুসম্পর্ক ও সাধারণ মানুষের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর দুই বছর বন্ধ ছিল ভারতীয় পর্যটন ভিসা। এ বছরের ২৮ জুন থেকে বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য আবার ভিসা দেওয়া শুরু করেছে ভারত।

এদিকে, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ১৯৯৬ সালের গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ এ বছরই শেষ হতে যাচ্ছে। এ বিষয়ে দ্রুত কোনো বিলম্ব ছাড়াই ঢাকার সাথে আলোচনা শুরু করার তাগিদ দিয়েছে কমিটি। ২০২৬ সালে মেয়াদ শেষ হতে যাওয়া এই চুক্তির নবায়নে নতুন পানিসম্পদ সংক্রান্ত তথ্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবকে গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে এই আলোচনায় পশ্চিমবঙ্গ ও বিহার রাজ্য সরকারকেও যুক্ত রাখার কথা বলা হয়েছে।

পাশাপাশি, বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সুরক্ষার বিষয়টি ভারতের কূটনৈতিক আলোচনার অন্যতম প্রধান অংশ হিসেবে বজায় রাখার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সুপারিশ করেছে স্থায়ী কমিটি।

Facebook Comments Box
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031  
Advertise with us
আরও বিবেকবার্তা সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com

শিরোনাম