Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ বিবেকবার্তা

প্রচ্ছদ / খেলাধুলা
২:০৪ অপরাহ্ণ, ৬ জুলাই ২০২৬

ফুটবল ইতিহাসে এটি সবচেয়ে পাগলাটে রাত : হালান্ড

ফুটবল ইতিহাসে এটি সবচেয়ে পাগলাটে রাত : হালান্ড

ছবি : সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

আর্লিং হলান্ডের সামনে সুযোগ মানেই যেন গোল। ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। যখন দুই দলের খেলোয়াড়রাই একের পর এক সুযোগ নষ্ট করছিলেন, তখন পাওয়া দুটি সুযোগই কাজে লাগিয়ে জোড়া গোল করেন নরওয়ের এই তারকা স্ট্রাইকার। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সেই ব্রাজিলকে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয় নরওয়ে।

ম্যাচ শেষে নিজের গোল করার সহজাত দক্ষতা নিয়ে হালান্ড বলেন, ‘সাধারণত এমনই হয়। আমি যদি একটি বা দুটি সুযোগ পাই, সেগুলো গোলে পরিণত হয়। কীভাবে করি, সেটা আমি নিজেও ঠিক জানি না। তবে সবকিছুর মূল হলো মনোযোগ ধরে রাখা। সুযোগ এলে সেটাকে কাজে লাগাতেই হয়।’

এই জয় নরওয়ের ফুটবল ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। এর আগে বিশ্বকাপে তাদের সর্বোচ্চ সাফল্য ছিল শেষ ষোলোতে ওঠা। এরপর টানা ছয়টি বিশ্বকাপ তারা দর্শক হিসেবেই কাটিয়েছে। দীর্ঘ ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরে এবার সরাসরি শেষ আটে উঠে ইতিহাস গড়েছে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশটি।

এই অর্জনের গুরুত্ব তুলে ধরে হালান্ড বলেন, ‘আমার মনে হয়, নরওয়ের ফুটবল ইতিহাসে এটি সবচেয়ে পাগলাটে এবং অবিশ্বাস্য রাতগুলোর একটি। আমি আশা করি, এই জয় আমাদের ফুটবলে অনেক পরিবর্তনের সূচনা করবে।’

ব্রাজিলের ফুটবল সংস্কৃতির প্রশংসাও করেন তিনি। হালান্ডের ভাষায়, ‘আমরা ব্রাজিলের কাছ থেকে শিখতে পারি। হয়তো তাদের মতো হুবহু নয়, কিন্তু দেশের হয়ে খেলার যে গর্ব তারা অনুভব করে, সেটি আমাদের মধ্যেও থাকা উচিত। নরওয়ের প্রতিটি শিশুর স্বপ্ন হওয়া উচিত জাতীয় দলের জার্সি গায়ে দেশের প্রতিনিধিত্ব করা।’

দলের লড়াকু মানসিকতারও প্রশংসা করেন এই স্ট্রাইকার। তিনি বলেন, ‘আমরা ভয়ডর ভুলে বুক চিতিয়ে খেলেছি এবং মাঠে নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছি। যারা এই সাক্ষাৎকার দেখছ, আশা করি বড় হয়ে তোমরাও নরওয়ের হয়ে খেলতে চাইবে এবং এটিকে জীবনের সবচেয়ে বড় গর্ব হিসেবে দেখবে। এই মুহূর্ত সত্যিই অবিশ্বাস্য।’

বিশ্বকাপে এবার নরওয়ের প্রতিটি জয়ের পরই সমর্থকদের ঐতিহ্যবাহী ‘ভাইকিং’ উদযাপনে মেতে উঠতে দেখা গেছে। ব্রাজিলকে হারানোর পরও গ্যালারিতে দীর্ঘ সময় ধরে হালান্ড, মার্টিন ওডেগার্ডদের সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে গান গেয়েছেন সমর্থকেরা। দেশের মানুষের সেই আনন্দের অংশ হতে না পারার আক্ষেপও ঝরেছে হালান্ডের কণ্ঠে।

তিনি বলেন, ‘ইশ, যদি এখন দেশের রাস্তায় সমর্থকদের সঙ্গে থাকতে পারতাম! আমিও যদি সেই আনন্দে শামিল হতে পারতাম। সবাইকে বলব, এই মুহূর্তটা প্রাণভরে উপভোগ করুন। পুরো নরওয়েরই এখন উদযাপন করার সময়। আমার বিশ্বাস, এটি আমাদের ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় দিন।’

Facebook Comments Box
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
 1234
567891011
12131415161718
19202122232425
262728293031  
Advertise with us
আরও বিবেকবার্তা সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com

শিরোনাম