Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ বিবেকবার্তা

প্রচ্ছদ / জাতীয়
১:০৪ অপরাহ্ণ, ২৫ জুন ২০২৬

গুণীদের সম্মান জানালে গর্বিত জাতি হবে বাংলাদেশ : মঈন খান

গুণীদের সম্মান জানালে গর্বিত জাতি হবে বাংলাদেশ : মঈন খান

ছবি : সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩ মিনিটে পড়ুন |

গুণী মানুষদের সম্মান জানাতে পারলে শুধু নিজেরা নয়, বাংলাদেশ একটি গর্বিত জাতি হিসেবে উপনীত হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান। এসময় আগামী দিনে বাংলাদেশে গুণী মানুষদের যথাযথ সম্মান দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

বুধবার (২৪ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘দৈনিক ইত্তেফাক ও দিনকালের সাবেক সম্পাদক আখতার উল আলমের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মঈন খান এসব কথা বলেন। আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয় সাংবাদিক সমিতি।

আখতার উল আলমের স্মৃতিচারণ করে মঈন খান বলেন, এমন একটি সময় ছিল যখন সত্য কথা লিখতে সাংবাদিকদের জন্য নিজ নামে লেখা ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। সে কারণে আক্তারুল আলম ‘লুব্ধক’ ছদ্মনামে লিখতেন। ‘লুব্ধক’ শুধু একটি ছদ্মনাম নয়, এটি ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের একটি কৌশল ছিল। সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে লিখতেন। তার লেখায় উদারচেতা বাস্তবতার প্রতিফলন ছিল। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, ভূরাজনীতি, কূটনীতি ও বৈদেশিক অর্থনীতি নিয়েও তিনি নিয়মিত লিখতেন।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় তার ভূমিকার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর দমন–পীড়নের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় তাকে ক্যান্টনমেন্টে বন্দিও হতে হয়েছিল। তিনি ছিলেন স্বাধীনতার পক্ষের একজন দৃঢ় অবস্থানের মানুষ। সেই সময়ে অনেকে প্রতিবাদের সাহস দেখাতে পারেনি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন।

সাংবাদিকতার বাইরেও ১৯৯২ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত আখতার উল আলমকে বাহরাইনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত করে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল বলে উল্লেখ করে মঈন খান বলেন, তিনি সফলতার সঙ্গে ওই দায়িত্ব পালন করেন। রংপুরের মিঠাপুকুরে ১৯৩৯ সালে জন্ম নেওয়া আক্তারুল আলম পরবর্তী সময়ে সাংবাদিকতা, সাহিত্য ও কূটনীতির জগতে নিজস্ব অবস্থান তৈরি করেছিলেন বলেও জানান তিনি।

দেশ ও দেশের মানুষের জন্য যারা অবদান রেখেছেন, সেসব বরেণ্য অনেক মানুষকে স্মরণ করা হয় না বলে মন্তব্য করেন অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ। তিনি বলেন, তাদেরকে মর্যাদা দিয়ে স্মরণ করা উচিত। জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের স্মরণ করি না। শেরে বাংলা একে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর জন্য কি রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো অনুষ্ঠান হয়? শুধু টেলিভিশন-সংবাদ পত্রে বিবৃতি দেওয়া হয়। যে জাতি তার বীর ও পথপ্রদশর্কদের স্মরণ করতে পারে না সেই জাতি সুষ্ঠু ও সঠিকভাবে আগামীর পথে এগোতে পারে না।

সরকার ও রাষ্ট্রের কাছে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আমাদের দেশের মহৎ পুরুষ, অগ্রগামী মানুষ তাদের ইতিহাস, তাদের কাজ-সংগ্রাম যেন ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে পারি সেই পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। বরেণ্য মানুষদের স্মরণ করার জন্য একটা সংগঠন করার দাবি জানান তিনি।

জাতীয় পর্যায়ে একটি তথ্যভাণ্ডার গঠনের প্রস্তাব দাবি জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, সাংবাদিক সমাজ ও সংশ্লিষ্ট বিদগ্ধ ব্যক্তিদের সমন্বয়ে এমন একটি উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এতে দেশের কৃতি ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম উপকৃত হবে।

স্মরণ সভায় সভাপতিত্ব করেন আয়োজক সংগঠনের চেয়ারম্যান ও সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. আব্দুল লতিফ মাসুম।

Facebook Comments Box
এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
Sun Mon Tue Wed Thu Fri Sat
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  
Advertise with us
আরও বিবেকবার্তা সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com

শিরোনাম