Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ বিবেকবার্তা

প্রচ্ছদ / সারাদেশ
৭:০১ পিএম, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিএসএফের গুলিতে আহত কৃষক চমেক হাসপাতাল থেকে উধাও

বিএসএফের গুলিতে আহত কৃষক চমেক হাসপাতাল থেকে উধাও
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

ফেনীর ছাগলনাইয়া সীমান্তে বিএসএফ গুলিতে আহত আহত কৃষক মোশাররফ (৪৫) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে শনিবার সকাল ১০টার পর থেকে আর নেই। হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি বিভাগের ৫ নম্বর বেডটি শনিবার বেলা আড়াইটায় দেখা গেল সম্পূর্ণ ফাঁকা।

বেডে পড়ে আছে দুটি এক্স-রে ফিল্ম এবং পাশে প্যাকেটভর্তি কিছু ওষুধ। এই বেডেই আগের দিন শুক্রবার রাত ১১টা ৫০ মিনিটে ভর্তি হয়েছিলেন মোশাররফ। যার শরীরে আনুমানিক ৮০ থেকে ১০০টি ছররা গুলি রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, তিনি কোথায় গেলেন, কীভাবে গেলেন কিংবা কার সঙ্গে গেলেন—তার কোনো সুস্পষ্ট সদুত্তর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বা চমেক পুলিশ ফাঁড়ি দিতে পারেনি।

চমেকের রেজিস্টার বই অনুযায়ী, শুক্রবার রাত ১১টা ৫০ মিনিটে তাকে ক্যাজুয়ালটি বিভাগে ভর্তি করে ৫ নম্বর বেড বরাদ্দ দেওয়া হয়। ভর্তির সময় সঙ্গে পুলিশও উপস্থিত ছিল।

পাশের ৬ নম্বর বেডের রোগী জাহেদুল ইসলাম জানান, শনিবার সকাল ১০টার দিকে কয়েকজন সাংবাদিক এসে মোশাররফের সাক্ষাৎকার নেন। এর কিছুক্ষণ পরই তিনি আর বেডে ছিলেন না। জাহেদুল আরো উল্লেখ করেন, মোশাররফের সঙ্গে আসা ব্যক্তিরা বিএসএফের গুলিতে আহত হওয়ার বিষয়টি নিয়ে এক ধরনের লুকোচুরি করছিলেন এবং তথ্য এড়িয়ে যেতে চাইছিলেন।

ক্যাজুয়ালটি বিভাগের আয়া মিনারা জানান, সকাল থেকেই রোগীকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না এবং ধারণা করা হচ্ছে তিনি হাসপাতাল থেকে পালিয়ে গেছেন। তবে কীভাবে বের হয়েছেন, তা তিনি জানাতে পারেননি।

চমেকের ক্যাজুয়ালটি বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার ডা. উপল চৌধুরী জানান, রোগীর শরীরে আনুমানিক ৮০ থেকে ১০০টি, এমনকি তার চেয়েও বেশি ছররা গুলি থাকতে পারে। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী এসব ছররা অস্ত্রোপচার করে বের করার প্রয়োজন হয় না, যা সময়ের সঙ্গে শুকিয়ে যায়। সকালে চিকিৎসকদের নিয়মিত রাউন্ডের পর থেকে রোগীকে আর বেডে পাওয়া যায়নি। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চমেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক বলেন, তিনি হয়তো বাইরে গেছেন, তবে সকাল ১১টার পর থেকে তাঁর অবস্থান আমাদের জানা নেই।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন বলেন, রোগী কোথায় গেছেন তা আমাদের জানা নেই, তবে আমরা বিষয়টির খোঁজ নিচ্ছি।

এ বিষয়ে ফেনীর পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার মন্তব্য করেন, আমরা জানতাম তিনি চমেকে চিকিৎসাধীন আছেন। তিনি সেখানে না থাকলে আমাদের পক্ষে জানা সম্ভব নয়, তাছাড়া বিরোধীদলীয় নেতার আগমন কেন্দ্রিক ব্যস্ততা রয়েছে।

এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
Advertise with us
আরও বিবেকবার্তা সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com

শিরোনাম