দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ৫ জনই ঢাকা বিভাগের এবং ১ জন বরিশাল বিভাগের। একই সময়ে সারা দেশে নতুন করে ১ হাজার ১৬২ জনের শরীরে হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে। আজ সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়।
পরিসংখ্যান ও বর্তমান পরিস্থিতি
গত ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত দেশে হাম ও এর উপসর্গ সংক্রান্ত সার্বিক পরিস্থিতি:
নিশ্চিত শনাক্ত: ১৯ হাজার ৩১২ জন (গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ৯৪ জন)।
হাসপাতালে ভর্তি: ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৪৫ জন।
সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরা: ১ লাখ ৩৩ হাজার ৪০৪ জন।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ও প্রতিরোধ ব্যবস্থা
রোগতত্ত্ববিদদের মতে, সব বয়সী মানুষ আক্রান্ত হতে পারলেও শিশুরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে নিম্নলিখিত স্বাস্থ্যবিধি ও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপগুলো মেনে চলা জরুরি:
আগাম সচেতনতা: চামড়ায় ফুসকুড়ি বা র্যাশ ওঠার আগেই ভাইরাসটি ছড়াতে পারে। তাই জ্বর, গায়ে ব্যথা ও ঠান্ডা-কাশি দেখা দিলে শুরুতেই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
প্রতিষেধক টিকা: হাম প্রতিরোধে টিকাই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। যাদের আগে টিকা দেওয়া হয়নি, তাদের দ্রুত টিকা নিশ্চিত করতে হবে।
ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা: যেহেতু এটি হাঁচি-কাশি ও শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে ছড়ায়, তাই মাস্ক ব্যবহার করা, নিয়মিত সাবান দিয়ে হাত ধোয়া এবং আক্রান্ত ব্যক্তির কাছ থেকে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা আবশ্যক।