Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ বিবেকবার্তা

প্রচ্ছদ / সারাদেশ
৯:২৪ পিএম, ২৯ আগস্ট ২০২৬

তজুমদ্দিনের প্রত্যন্ত গ্রামে ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীর আশার আলো

তজুমদ্দিনের প্রত্যন্ত গ্রামে ৫ শতাধিক শিক্ষার্থীর আশার আলো
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলার এক প্রত্যন্ত গ্রামের সাড়ে চার শতাধিক শিক্ষার্থীর যাতায়াত আরো সহজ ও নিরাপদ করতে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। প্রতিষ্ঠানটি চালু করেছে নিজস্ব বাস। শিক্ষা গ্রহণ পদ্ধতিতে সহজলভ্যতা ও আধুনিকতার ছোঁয়া এনে দেওয়া এই উদ্যোগে দারুণ উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, ২০১৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এ কলেজটি উপজেলার শম্ভুপুর ইউনিয়নের খাসের হাট বাজার সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত। বর্তমানে কলেজটিতে প্রায় সাড়ে চার শতাধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের মাঝে আলো ছড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি।

উপজেলার দূর-দূরান্ত থেকে নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রমে অংশ নিতে আসা শিক্ষার্থীদের জন্য সময়মতো কলেজে পৌঁছানো এবং নিরাপদে বাড়ি ফেরা এতদিন বড় চ্যালেঞ্জের বিষয় ছিল। ভাড়ায় চালিত অটোরিকশাসহ নানা যানবাহনে তাদের ওপর নির্ভর করতে হতো। এ সমস্যার সমাধানে কলেজের নিজস্ব বাস চালু হওয়ায় শিক্ষার্থীদের যাতায়াত যেমন সহজ ও নিরাপদ হবে, তেমনই বাঁচবে মূল্যবান সময়।

কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী শ্রাবন্তি ও ইকরাসহ একাধিক শিক্ষার্থী জানায়, অনেক দূর থেকে প্রতিনিয়ত কলেজে আসা-যাওয়া করতে গিয়ে প্রচণ্ড ভোগান্তি পোহাতে হতো। অনেক সময় বাস বা অটোরিকশা ঠিকমতো না পাওয়ায় ক্লাসে পৌঁছাতে দেরি হয়ে যেত। কলেজের নিজস্ব বাস চালু হওয়ায় আমরা ভীষণ আনন্দিত। এখন যথাসময়ে ক্লাসে আসা এবং নিরাপদে বাড়ি ফেরা অনেক সহজ হবে।

কলেজের প্রভাষক মিজানুর রহমান ও খালেদ সাইফুল্যাহ বলেন, শিক্ষার্থীদের নিজস্ব বাস সার্ভিস চালু হওয়ায় তাদের দীর্ঘদিনের যাতায়াতসংক্রান্ত কষ্ট অনেকটাই লাঘব হবে। ফলে ক্লাসে ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতি বাড়বে এবং এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার প্রতি আরও আগ্রহ তৈরি হবে।

অধ্যক্ষ মো. মুঈনুদ্দীন হাওলাদার বলেন, আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীদের নিরাপদ, সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করা, যেন তারা নিয়মিত ক্লাসে অংশ নিতে পারে। দূর-দূরান্ত থেকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে কলেজে আসতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের নানা ভোগান্তির শিকার হতে হতো। মোহাম্মদ শাহে আলম ফাউন্ডেশন’র পক্ষ থেকে প্রাপ্ত এই বাস সার্ভিস চালুর মাধ্যমে তাদের যাতায়াত ক্লান্তি কমবে এবং তারা পড়াশোনায় আরও মনোযোগী হওয়ার সুযোগ পাবে।

এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
Advertise with us
আরও বিবেকবার্তা সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com

শিরোনাম