Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ বিবেক বার্তা

কলাম
৯:২৫ অপরাহ্ণ, ৭ জুন ২০২৬

আমেরিকায় সংখ্যালঘু হতে যাচ্ছে শ্বেতাঙ্গরা

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু অশ্বেতাঙ্গ অভিবাসীদের উচ্চ জন্মহার, তরুণ আমেরিকানদের মধ্যে বিয়ের প্রবণতা হ্রাস, বিবাহিত শ্বেতাঙ্গ পরিবারে জন্মহার কমে যাওয়া এবং বয়স্ক শ্বেতাঙ্গদের মৃত্যুহার অন্যান্য কমিউনিটির চেয়ে বৃদ্ধি পাওয়া ইত্যাদি কারণে ২০৪০ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র শ্বেতাঙ্গ সংখ্যালঘু দেশে পরিণত হবে। পঞ্চাশের দশক থেকেই শ্বেতাঙ্গ আমেরিকানদের সংখ্যা হ্রাস পেতে শুরু করেছে; গত দুই দশক থেকে […]

আমেরিকায় সংখ্যালঘু হতে যাচ্ছে শ্বেতাঙ্গরা
নিজস্ব প্রতিবেদক
৬ মিনিটে পড়ুন |

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু

অশ্বেতাঙ্গ অভিবাসীদের উচ্চ জন্মহার, তরুণ আমেরিকানদের মধ্যে বিয়ের প্রবণতা হ্রাস, বিবাহিত শ্বেতাঙ্গ পরিবারে জন্মহার কমে যাওয়া এবং বয়স্ক শ্বেতাঙ্গদের মৃত্যুহার অন্যান্য কমিউনিটির চেয়ে বৃদ্ধি পাওয়া ইত্যাদি কারণে ২০৪০ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র শ্বেতাঙ্গ সংখ্যালঘু দেশে পরিণত হবে। পঞ্চাশের দশক থেকেই শ্বেতাঙ্গ আমেরিকানদের সংখ্যা হ্রাস পেতে শুরু করেছে; গত দুই দশক থেকে তা আগের চেয়ে দ্রুততর হয়েছে। পরিসংখ্যান ব্যুরোর পূর্বাভাস অনুযায়ী, মাত্র দুই দশক পর ২০৪৫ সালেই শ্বেতাঙ্গ জনসংখ্যা ৪৯.৭ শতাংশ হলেই সংখ্যাধিক্যজনিত শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্বে দ্রুত ধস নামতে শুরু করবে, যা আর কখনো কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে না। দেশটির পরিসংখ্যান ব্যুরো, নির্ভরযোগ্য বেসরকারি জরিপ প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের গবেষণা রিপোর্টে অভিন্ন আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস টাইমসের হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রে শ্বেতাঙ্গ জনসংখ্যা ২০২৫ সালের ৫৭.৫ শতাংশ থেকে কমে ২০৫০ সালে দাঁড়াবে ৪৭ শতাংশে। এর দশ বছর পর, অর্থাৎ ২০৬০ সালে আমেরিকার শ্বেতাঙ্গ জনসংখ্যা আরও হ্রাস পেয়ে হবে ৪৪ শতাংশ। সামগ্রিক বিচারে দুই দশক পর শ্বেতাঙ্গ জনগোষ্ঠী যুক্তরাষ্ট্রে আর একক সংখ্যাগরিষ্ঠ থাকবে না।

ধর্মীয় বিশ্বাসের দিক থেকেও যুক্তরাষ্ট্রের জনচিত্রে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটবে। ২০১০ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের জনসংখ্যার ৭৮ শতাংশ খ্রিষ্টধর্মে বিশ্বাসী ছিল। কিন্তু এ চিত্র দ্রুত পালটে যাচ্ছে। ২০৫০ সালের মধ্যে এ সংখ্যা ৬৬ শতাংশে নেমে যাবে। বিভিন্ন সংস্থার জরিপ অনুযায়ী, আমেরিকান তরুণরা উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় খ্রিষ্টধর্মে তাদের বিশ্বাস হারাচ্ছে। তারা যে ধর্মান্তরিত হয়ে অন্য ধর্ম গ্রহণ করছে তা নয়, তাদের বেশির ভাগ কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় পরিচয়ে পরিচিত হতে অনিচ্ছুক। অনেকে ধর্মে পুরোপুরি আস্থা হারিয়ে ফেলেছে, অনেকে হয়ে যাচ্ছে অজ্ঞেয়বাদী। খ্রিষ্টধর্ম আমেরিকায় সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর ধর্ম হিসাবে থাকলেও চলতি শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে ধর্মে আস্থা না রাখা অথবা ধর্মীয় পরিচয় ধারণ করতে অনিচ্ছুক আমেরিকানের সংখ্যা ২৬ শতাংশে দাঁড়াবে বলে আভাস দিয়েছে জরিপ সংস্থাগুলো।

অখ্রিষ্টানদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় প্রধান ধর্মীয় জনগোষ্ঠী ইহুদি ধর্মাবলম্বীরা। পিউ রিসার্চের মতে, ২০২৫ সালের হিসাবে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৫৭ লাখ ইহুদি বসবাস করে, যা আমেরিকান জনসংখ্যার প্রায় ১.৪ শতাংশ। ইসরাইলের বাইরে যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইহুদি দেশ বলা হয়। ইসরাইলের মোট জনসংখ্যা ১ কোটি ১৮ লাখের মধ্যে প্রায় ৭৮ লাখ ইহুদি। একই প্রতিষ্ঠানের আভাস অনুযায়ী, আমেরিকায় ইহুদি জনসংখ্যা হ্রাস পেয়ে ২০৫০ সালে দাঁড়াবে ৫৪ লাখে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে মুসলিম জনসংখ্যা ২০২৪ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সাড়ে ৪৫ লাখ থেকে বেড়ে ২০৪০ সালের মধ্যে ইহুদি জনসংখ্যাকে ছাড়িয়ে যাবে এবং তখন মুসলমানরা হবে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় জনগোষ্ঠী এবং ২০৫০ সালের মধ্যে মুসলিম জনসংখ্যা ৮১ লাখে উন্নীত হবে, যা মোট জনসংখ্যার ২.১ শতাংশ। হিন্দু, বৌদ্ধ এবং অন্যান্য ক্ষুদ্র ধর্মীয় জনগোষ্ঠীর সদস্যও বৃদ্ধি পাবে। হিন্দু জনসংখ্যা বর্তমান ০.৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০৫০ সালে দাঁড়াবে ১.২ শতাংশে। প্রায় সব জরিপে আমেরিকায় ইসলাম এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের ‘দ্রুত বর্ধনশীল’ জনগোষ্ঠী হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের চরম রক্ষণশীল ও শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্বের অন্যতম পতাকাবাহী অঙ্গরাজ্য টেক্সাস। সেখানকার একটি বিশ্ববিদ্যালয় ‘টেক্সাস এগ্রিকালচার অ্যান্ড মেকানিক্যাল ইউনিভার্সিটি’র ২০১৮ সালের এক জরিপে দেখানো হয়েছে, ১৪টি অঙ্গরাজ্য এবং রাজধানী ওয়াশিংটন ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়ায় শ্বেতাঙ্গ জনসংখ্যার গড় অনুপাত যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য অঙ্গরাজ্যে শ্বেতাঙ্গ জনসংখ্যার চেয়ে আশঙ্কাজনক হারে নিচে নেমে গেছে। এ চিত্র অনুযায়ী, হাওয়াইয়ে শ্বেতাঙ্গ জনসংখ্যা মোট জনসংখ্যার ২২.১ শতাংশ, ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়ায় ৩৬.৪ শতাংশ, ক্যালিফোর্নিয়ায় ৩৭.৭ শতাংশ, নিউ মেক্সিকোতে ৩৮.১ শতাংশ, টেক্সাসে ৪২.৬ শতাংশ, নেভাদায় ৪৯.৯ শতাংশ, মেরিল্যান্ডে ৫১.৫ শতাংশ, জর্জিয়ায় ৫৩.৪ শতাংশ, ফ্লোরিডায় ৫৪.৯ শতাংশ, অ্যারিজোনায় ৫৫.৫ শতাংশ. নিউইয়র্কে ৫৫.৮ শতাংশ, নিউ জার্সিতে ৫৫.৮ শতাংশ, মিসিসিপিতে ৫৬.৯ শতাংশ এবং লুইজিয়ানায় ৫৯ শতাংশ। এ চিত্র সম্পূর্ণ পালটে যাবে ২০৫০ সালের মধ্যে, যখন ১৬টি অঙ্গরাজ্যে শ্বেতাঙ্গ আমেরিকানরা সংখ্যালঘুতে পরিণত হবে এবং ২০৬০ সালের মধ্যে শ্বেতাঙ্গ সংখ্যালঘু অঙ্গরাজ্যের সংখ্যা দাঁড়াবে ২৪। পিটার জি পেটারসন ফাউন্ডেশনের ২০২৪ সালের জরিপ বলছে, অভিবাসী কমিউনিটির সংখ্যাধিক্য আমেরিকার জনমানচিত্র পালটে দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তাদের সংখ্যা ২০৫০ সালের মধ্যে হিসপানিক-ল্যাটিনোদের ক্ষেত্রে বৃদ্ধি পাবে তাদের বর্তমান সংখ্যার প্রায় ৬০ শতাংশ, কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকানদের ক্ষেত্রে বর্তমান সংখ্যার প্রায় ৩০ শতাংশ এবং এশিয়ানদের সংখ্যা এখনকার চেয়ে দ্বিগুণের বেশি বৃদ্ধি পাবে।

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রধান স্লোগান হচ্ছে : ‘মেইক অ্যামেরিকা গ্রেট এগেইন’। কিন্তু এর আড়ালে শ্বেতাঙ্গ শ্রেষ্ঠত্বের দাবিদার কট্টরপন্থি শ্বেতাঙ্গদের লক্ষ্য মূলত ‘মেইক অ্যামেরিকা হোয়াইট এগেইন’ বা আমেরিকাকে আবারও শ্বেতাঙ্গপ্রধান আমেরিকা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করা। তবে গবেষকরা বসে নেই। তারা শ্বেতাঙ্গ জনসংখ্যা হ্রাস এবং অশ্বেতাঙ্গ সংখ্যা বেড়ে চলার কারণ অনুসন্ধানে ব্যস্ত। কারণ খুঁজে পাওয়া তেমন জটিল কিছু নয়, জনমিতির মৌলিক কারণগুলোই আমেরিকার জনচিত্র পরিবর্তনে ভূমিকা পালন করেছে : ‘জন্ম, মৃত্যু ও অভিবাসন’। আমেরিকান শ্বেতাঙ্গ নারীরা তাদের জীবনকালে গড়ে ১.৭টি সন্তানের জন্ম দেয়, সেক্ষেত্রে ল্যাটিনো নারীরা জন্ম দেয় গড়ে ২.২টি সন্তানের। কৃষ্ণাঙ্গ, এশিয়ান ও অন্যান্য অভিবাসী জাতিগোষ্ঠীর নারীরা শ্বেতাঙ্গ ও ল্যাটিনোদের মধ্যবর্তী হারে সন্তান জন্ম দেয়। অতএব এটা স্পষ্ট-শ্বেতাঙ্গ আমেরিকানদের জন্মহার সব অশ্বেতাঙ্গ কমিউনিটির জন্মহারের চেয়ে কম। জন্মদানের বয়স কাঠামোতেও পার্থক্য বিদ্যমান। ল্যাটিনো আমেরিকান নারীদের ৬২ শতাংশের সন্তান জন্মদানের বয়স ১৫ বছর বা তদূর্ধ্ব; এ ক্যাটাগরিতে পড়ে ৪২ শতাংশ শ্বেতাঙ্গ আমেরিকান নারী। অধিকাংশ শ্বেতাঙ্গ নারী সন্তান ধারণ করে ৩০ থেকে ৩৪ বছর বয়সের মধ্যে। পুরুষদের ক্ষেত্রেও অধিকাংশ শ্বেতাঙ্গ বিয়ে করে তাদের ত্রিশোর্ধ্ব বয়সে এবং নিজেদের আর্থিকভাবে সচ্ছল ভাবার আগে সাধারণত সন্তানের পিতা হওয়ার পরিকল্পনা করে না। অন্যান্য কমিউনিটিতে নারী-পুরুষের বিয়ে ও প্রথম সন্তান নেওয়ার ঘটনা অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাদের বয়স ত্রিশ বছরে উন্নীত হওয়ার আগেই ঘটে। এ বিষয়টি শ্বেতাঙ্গ পরিবারে কম সন্তান জন্মে ভূমিকা রাখে।

শুধু তাই নয়, ল্যাটিনোদের মৃত্যুহার শ্বেতাঙ্গদের চেয়ে কম, যাকে জনতত্ত্ববিদরা বলেন, ‘এপিডেমিওলজিক্যাল প্যারাডক্স’। গবেষকরা যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর লোকজনের তুলনায় শ্বেতাঙ্গদের মৃত্যুহারের আধিক্য প্রথমবারের মতো আশঙ্কার দৃষ্টিতে দেখেন ২০১৫ সালে। তারা দেখতে পান শ্বেতাঙ্গদের জন্মহারের চেয়ে মৃত্যুহার বেশি। ২০১৬ সালে জনবহুল ক্যালিফোর্নিয়া, ফ্লোরিডা, পেনসিলভেনিয়া ও মিশিগানসহ ২৬টি অঙ্গরাজ্যে শ্বেতাঙ্গ পরিবারে জন্মের চেয়ে দ্রততর হারে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছিল। এ অবস্থা এখনো বিদ্যমান। আমেরিকার জনচিত্র পালটে যাওয়ার ক্ষেত্রে দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ অবদান অভিবাসনের। সেন্টার ফর ইমিগ্রেশন স্টাডিজের এক গবেষণায় ফেডারেল সরকারের ‘কারেন্ট পপুলেশন সার্ভে’র ২০২৫-এর রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ-অবৈধ মিলিয়ে অভিবাসী জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ৫ কোটি ৩৩ লাখ, যা দেশটির মোট জনসংখ্যার ১৫.৮ শতাংশ। গত ২০ বছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১ কোটির অধিক অশ্বেতাঙ্গ অবৈধ অভিবাসীকে বহিষ্কার করা হলেও মাইগ্রেশন পলিসি ইনস্টিটিউটের জরিপে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে ১ কোটি ৪০ লাখ অবৈধ অশ্বেতাঙ্গ অভিবাসী বাস করছে। শ্বেতাঙ্গ জনসংখ্যা হ্রাসে অবৈধ অভিবাসীদেরও ভূমিকা রয়েছে।

জনসংখ্যাচিত্রের পরিবর্তন কেবল বর্ণগত বিষয় নয়। নির্বাচনি রাজনীতি, নীতিনির্ধারণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, আবাসন, শ্রমবাজার, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সাংস্কৃতিক পরিচয়ের ওপর এর প্রভাব পড়বে। এজন্যই শ্বেতাঙ্গ কট্টরপন্থিরা চিন্তিত এবং অশ্বেতাঙ্গ, বিশেষ করে অভিবাসীদের ওপর চরম ক্ষুব্ধ। নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, মায়ামি, আটলান্টা ও শিকাগোর মতো শহরে এ পরিবর্তন এতই দৃশ্যমান যে, অশ্বেতাঙ্গ জনগোষ্ঠী অনেক ক্ষেত্রে নগরজীবনের প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোতে নির্বাচিত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের সর্ববৃহৎ জনবহুল ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নিউইয়র্ক নগরীর মেয়র হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন একজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মুসলিম। বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্যও এ পরিবর্তন বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, কানেকটিকাট, মিশিগান, পেনসিলভেনিয়া, জর্জিয়া, টেক্সাস ও ফ্লোরিডায় বাংলাদেশি অভিবাসীদের উপস্থিতি বাড়ছে। নতুন প্রজন্ম শিক্ষা, প্রযুক্তি, চিকিৎসা, আইন, প্রশাসন, ব্যবসা ও রাজনীতিতে এগিয়ে আসছে। যুক্তরাষ্ট্রের জনবৈচিত্র্য বৃদ্ধির পাশাপাশি বাংলাদেশি-আমেরিকানদের রাজনৈতিক ও সামাজিক অংশগ্রহণের ক্ষেত্রও বিস্তৃত হবে। আগামী দিনের আমেরিকায় কোনো একক বর্ণগোষ্ঠী নয়, বরং বিভিন্ন জাতি, ভাষা, সংস্কৃতি ও অভিবাসী ঐতিহ্যের সমন্বিত উপস্থিতিই হবে দেশের প্রধান বৈশিষ্ট্য।

আনোয়ার হোসেইন মঞ্জু : যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক

Facebook Comments Box
Advertise with us
এ বিভাগের আরও খবর

যে বাঙালিকে মনে রেখেছেন জাপানিরা
৩ সপ্তাহ আগে

Advertise with us
আর্কাইভ ক্যালেণ্ডার
রবিসোমমঙ্গলবুধবৃহশুক্রশনি
 
১০১১১৩
১৫১৬১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
৩০ 
Advertise with us
আরও বিবেক বার্তা সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com