Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ বিবেকবার্তা

প্রচ্ছদ / অর্থনীতি
১১:০৩ এএম, ৪ আগস্ট ২০২৬

১৫ টাকায় মিলবে ৩০ কেজি চাল: খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি শুরু, চলবে নভেম্বর পর্যন্ত

১৫ টাকায় মিলবে ৩০ কেজি চাল: খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি শুরু, চলবে নভেম্বর পর্যন্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ‘খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি’র আওতায় ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি শুরু করেছে সরকার। এ কর্মসূচির অধীনে তালিকাভুক্ত কার্ডধারীরা প্রতি মাসে ৩০ কেজি করে চাল কিনতে পারবেন। গত শনিবার থেকে শুরু হওয়া এই চাল বিক্রি কার্যক্রম আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত টানা চার মাস চলবে। এরপর দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭ সালের মার্চ ও এপ্রিল—এই দুই মাস পুনরায় চাল বিক্রি করা হবে।

​গতকাল সোমবার খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

​কর্মসূচির মূল তথ্য ও বিস্তার

  • ​উপকারভোগী: সারা দেশের ৪৯৫টি উপজেলার মোট ৫৫ লাখ কার্ডধারী পরিবার।
  • ​পুষ্টিচাল বিতরণ: ২৪৮টি উপজেলার ২৫ লাখ ২৯ হাজার কার্ডধারী পাবেন ভিটামিন ও খনিজসমৃদ্ধ পুষ্টিচাল।
  • ​সাধারণ চাল বিতরণ: ২৪৭টি উপজেলার ২৯ লাখ ৭১ হাজার কার্ডধারী পাবেন সাধারণ চাল।
  • ​ওএমএস কার্যক্রম: গ্রামাঞ্চলে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির পাশাপাশি সারা দেশের ১,১০৮টি কেন্দ্রের মাধ্যমে খোলাবাজারে চাল ও আটা বিক্রি (ওএমএস) কার্যক্রমও যথারীতি চালু রয়েছে।

​মূল্যবৃদ্ধি ও সংগ্রহ প্রক্রিয়া

​উল্লেখ্য, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ‘খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি’ চালুর সময় এই চালের দাম ছিল কেজিপ্রতি ১০ টাকা। পরবর্তীতে ২০২২–২৩ অর্থবছর থেকে প্রতি কেজিতে ৫ টাকা বাড়িয়ে তা ১৫ টাকা করা হয়। নিবন্ধিত সুবিধাভোগীরা নির্ধারিত ডিলারদের কাছ থেকে এই চাল সংগ্রহ করতে পারবেন।

​খাদ্য মজুতের সুসংবাদ

​বিজ্ঞপ্তিতে খাদ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে দেশে খাদ্যের মজুত অত্যন্ত সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে। গত ২ আগস্টের হিসাব অনুযায়ী দেশে মোট খাদ্য মজুত রয়েছে ২৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৮৫ টন।

​বর্তমানে মজুতের বিস্তারিত:

  • ​চাল: ১৯ লাখ ৬৬ হাজার ১৪৮ টন
  • ​গম: ২ লাখ ৮০ হাজার ১০ টন
  • ​ধান: ১ লাখ ৫২ হাজার ১০৯ টন

​কর্মসূচির উদ্দেশ্য ও অগ্রাধিকার

​মূলত গ্রামাঞ্চলের সুবিধা বঞ্চিত জনগোষ্ঠী—বিশেষ করে বিধবা, বয়স্ক ব্যক্তি, পরিবারপ্রধান নারী এবং নিম্ন আয়ের দুস্থ পরিবারগুলোকে এ কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।

​সরকারের সমীক্ষা অনুযায়ী, বছরে ছয় মাস (মার্চ-এপ্রিল এবং আগস্ট থেকে নভেম্বর) গ্রামীণ অর্থনীতিতে কর্মসংস্থান ও আয় তুলনামূলক কম থাকে। এসব সময় দুস্থ মানুষের প্রোটিন ও খাদ্যচাহিদা মেটাতে সরকার ওএমএস ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে বড় অঙ্কের ভর্তুকি দিয়ে থাকে।

এ বিভাগের আরও খবর

কমল স্বর্ণের দাম
২ মাস আগে

Advertise with us
Advertise with us
আরও বিবেকবার্তা সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com

শিরোনাম