Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ বিবেকবার্তা

প্রচ্ছদ / সারাদেশ
৯:৩৬ পিএম, ২১ আগস্ট ২০২৬

পাঁচবিবিতে ভাঙা স্লুইস গেট এখন মরণফাঁদ

পাঁচবিবিতে ভাঙা স্লুইস গেট এখন মরণফাঁদ
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

পাঁচবিবি উপজেলার আয়মারসুলপুর ইউনিয়নের পূর্ব কড়িয়া গ্রামে প্রায় ৩৫ বছরের পুরোনো একটি স্লুইস গেট এখন আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দীর্ঘদিন সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে জরাজীর্ণ হয়ে পড়া স্লুইস গেটটির দুই পাশের মাটি কয়েকদিনের টানা বর্ষণে ধসে গেছে। কোথাও কোথাও ভেঙে পড়েছে গেটের অংশও। এতে একদিকে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকার পানি নিষ্কাশনের, অন্যদিকে গেটের পাশের বসতবাড়িগুলো রয়েছে সরাসরি ধসের ঝুঁকিতে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, গুরুত্বপূর্ণ এই স্লুইস গেটটি দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না করায়, সামান্য বৃষ্টিতেই এর আশপাশের মাটি ধসে পড়ছে। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে, বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায়, বর্ষা মৌসুমে উপজেলার আয়মারসুলপুর ইউনিয়নের মাছমারী বিল, পশ্চিম কড়িয়া, রামনগর ও ধরঞ্জী ইউনিয়নের পাড়ইল মাঠের পানি নিষ্কাশনের জন্য ১৯৯২ সালে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় হতে পানি ও সেচ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় পূর্ব কড়িয়া গ্রামের নদীরকুল মোস্তাকের বাড়ির পাশে স্লুইস গেটটি নির্মাণ করা হয়। এই গেট দিয়ে বিস্তীর্ণ এলাকার পানি প্রবাহিত হয়ে পাশের চিরি নদীতে গিয়ে পড়ে।

পানি নিষ্কাশনের পাশাপাশি স্লুইস গেটটির ওপর দিয়ে স্থানীয় অর্ধশতাধিক পরিবার, কৃষিজমির ফসল আনা-নেওয়ার পথ হিসেবেও এটি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার জয়পুরহাট করে আসছে। ফলে স্লুইস গেটটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায়, শুধু পানি নিষ্কাশন নয়, কৃষকদের স্বাভাবিক চলাচল ও ফসল পরিবহন নিয়েও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

সম্প্রতি কয়েকদিনের অতিবর্ষণে পানির প্রবল স্রোতে স্লুইস গেটের দুই পাশের মাটি ব্যাপকভাবে ধসে যায়। পাশাপাশি গেটের বিভিন্ন অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাড়ির পাশের মাটি ধসে যাওয়ায়, ঘরের নিচের অংশও ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। ফলে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে চরম আতঙ্কে দিন-রাত কাটাচ্ছেন পরিবারটি।

পাঁচবিবি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাশপিয়া তাসরিন বলেন, বিষয়টি অবগত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ মিল্টনকে স্লুইস গেটের বর্তমান অবস্থার তথ্য দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এরপর দ্রুততম সময়ের মধ্যে কার্যবর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
Advertise with us
আরও বিবেকবার্তা সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com

শিরোনাম