বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের অন্য সদস্যদের একান্নতম শাহাদাৎ বরণ দিবস উপলক্ষে টোকিওর মাচিদায় আয়োজন করা হয়, দোয়া ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন। পাশাপাশি শেখ রাসেলের উপর ছিল শিশুদের চিত্র অঙ্কন প্রতিযোগিতা।
এ উপলক্ষে ৯ আগষ্ট শুরুতে জাতীয় সংগীত বাজিয়ে এক মিনিট দাঁড়িয়ে নীরবতা পালনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু করা হয়। শুরুতে বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষন বাজানো হলে পুরো হল ছিল নীরব। ভাষন বাজানো শেষ হলে শেখ রাসেলের ছবি অঙ্কন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরুষ্কার প্রদান করা হয়। এর পরপর পূর্ব নির্ধারিত সময়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা পাঁচ বারবারের সফল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালী যোগদান করে বক্তব্য প্রদান করেন।
সবশেষে ছিল নৈশভোজের আয়োজন। এ উপলক্ষে জাপানের দূরদূরান্ত থেকে দলবেঁধে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতা ও সমর্থকরা ট্রেনে, বাসে এবং ব্যক্তিগত গাড়িতে এসে অংশ গ্রহণ করে। অনুষ্ঠান স্থলে প্রবেশের সময় ” জয় বাংলা “, ” জয় বঙ্গবন্ধু ” শ্লোগানে অনুষ্ঠান স্থল মুখরিত করে তোলে। ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি – জাপানি সকলের অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো। উপস্থিত প্রায় সকলের মন্তব্য ছিল একটাই টোকিওতে এত বড় সফল আয়োজন আগে দেখা যায় নি।
একপর্যায়ে বঙ্গবন্ধু ও শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানানো হয়। পুরো অনুষ্ঠানের সকল প্রকার দ্বায়িত্বে ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মিঃ সাকুরা সাবের।