
দেশে আবারও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) পাইকারি, সঞ্চালন ও খুচরা পর্যায়ে নতুন মূল্যহার ঘোষণা করেছে, যা জুন মাসের বিল থেকেই কার্যকর হবে। ৩ জুন (বুধবার) রাজধানীর রমনায় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের শুনানি কক্ষে নতুন দর ঘোষণা করেন বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৯ দশমিক […]

ছবি : সংগৃহীত
দেশে আবারও বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) পাইকারি, সঞ্চালন ও খুচরা পর্যায়ে নতুন মূল্যহার ঘোষণা করেছে, যা জুন মাসের বিল থেকেই কার্যকর হবে। ৩ জুন (বুধবার) রাজধানীর রমনায় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের শুনানি কক্ষে নতুন দর ঘোষণা করেন বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। ফলে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে বেড়ে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা হয়েছে। এছাড়া সঞ্চালন চার্জ ২৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ বাড়িয়ে ইউনিটপ্রতি ০.৩১৩৫ টাকা থেকে ০.৩৮৮৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
পাইকারি মূল্য, সঞ্চালন ব্যয় ও বিতরণ খরচ বিবেচনায় খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম গ্রাহকভেদে ১৫ থেকে ১৯ দশমিক ৯৪ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। এতে ভারিত গড়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বেড়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা হয়েছে।
বিইআরসি জানিয়েছে, নতুন মূল্যহার কার্যকর হওয়ার পরও বিদ্যুৎ খাতে সরকারকে বছরে প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে।
মাত্র এক মাসের উদ্যোগে পাইকারি, সঞ্চালন ও খুচরা পর্যায়ে একযোগে এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুতের অন্যতম বড় মূল্যসমন্বয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।












