Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ বিবেকবার্তা

প্রচ্ছদ / তথ্য ও প্রষুক্তি
১০:২৯ পিএম, ৩১ মে ২০২৬

চাঁদে যাওয়া মানুষদের খাবারে কী কী রয়েছে?

চাঁদে যাওয়া মানুষদের খাবারে কী কী রয়েছে?

ছবি : সংগৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

দীর্ঘ ৫৪ বছর পর আবারও চাঁদের অভিমুখে মানুষ নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (নাসা) ঐতিহাসিক আর্টেমিস-২। এই মিশনে নভোচারীদের জন্য সকালের নাস্তা, দুপুর ও রাতের খাবারের সময়সূচি নির্ধারিত। একইভাবে তাদের খাদ্যতালিকাও এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে তা শারীরিক সুস্থতা ও কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়তা করে। কিন্তু কি এমন খাবার থাকে তাদের জন্য? চলুন জেনে নেই।

কী থাকছে মেন্যুতে?

আর্টেমিস-২ মিশনের মেন্যুতে রয়েছে মোট ১৮৯ ধরনের খাবার। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- আমের সালাদ, স্পাইসি গ্রিন বিনস, ব্লুবেরি গ্রানোলা এবং টরটিয়া। এছাড়াও দশটিরও বেশি ধরনের পানীয় রয়েছে, পানীয় হিসেবে রাখা হয়েছে ১০ ধরনের বেশি অপশন রাখা হয়েছে। এর মধ্যে কফি থেকে শুরু করে ম্যাঙ্গো-পিচ স্মুদি ও স্ট্রবেরি জুসসহ ব্রেকফাস্ট ড্রিংকস। তবে এসবের মধ্য থেকে প্রতিটি নভোচারী দিনে দুটি পানীয় নিতে পারবেন।

কেন এমন খাবার?

নাসা জানায়, এই মেন্যু তৈরিতে নভোচারীদের ব্যক্তিগত পছন্দকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পুষ্টিগুণ ও মহাকাশযানের সীমাবদ্ধতাও বিবেচনায় রাখা হয়েছে। এছাড়াও ওরিয়ন মহাকাশযানে এ খাবার সংরক্ষণ ও ব্যবহারের সুবিধা অনুযায়ী খবারের এসব ধরন নির্বাচন করা হয়েছে।

সংস্থাটি জানায়, মাইক্রোগ্রাভিটি পরিবেশে খাবার সহজে খাওয়া যায় এবং কম বর্জ্য তৈরি হয়- এমন খাবারই বেছে নেওয়া হয়েছে। মিশনে কোনো ফ্রিজ না থাকায় তাজা খাবার রাখাও সম্ভব নয়। নভোচারীরা অনবোর্ড পানির ডিসপেনসার ব্যবহার করে শুকনো খাবার পুনরায় প্রস্তুত করতে পারবেন। পাশাপাশি খাবার গরম করার জন্য থাকবে একটি বিশেষ ফুড ওয়ার্মার।

এর আগে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে স্থানীয় সময় বুধবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা ৩৫ মিনিটে ৩২ তলা বিশিষ্ট শক্তিশালী রকেটটি চারজন নভোচারীকে নিয়ে মহাকাশে ডানা মেলে।

এই মাহেন্দ্রক্ষণ প্রত্যক্ষ করতে কেপ ক্যানাভেরালে জড়ো হয়েছিল হাজার হাজার উৎসুক মানুষ। আর্টেমিস-২ মিশনে অংশ নিচ্ছেন অভিজ্ঞ চার মহাকাশচারী- মিশন কমান্ডার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের রিড ওয়াইজম্যান, পাইলট হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ভিক্টর গ্লোভার, মিশন স্পেশালিস্ট হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রিস্টিনা কচ ও কানাডার জেরেমি হ্যানসেন।

প্রসঙ্গত, আর্টেমিস-২ মূলত একটি পরীক্ষামূলক মিশন। মহাকাশযানটি প্রথমবারের মতো মানুষ বহন করায় এর নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতা নিবিড়ভাবে পরীক্ষা করা হবে।

এবারের মিশনের কিছু বিশেষত্ব রয়েছে। নভোচারীরা চাঁদের চারপাশে প্রদক্ষিণ করবেন, তবে এবার তারা চাঁদের মাটিতে অবতরণ করবেন না। ডকিং সিমুলেশনের মাধ্যমে মহাকাশযানটির ম্যানুয়াল নিয়ন্ত্রণ সক্ষমতা যাচাই করা হবে। প্রায় ১০ দিনের এই মিশন শেষে নভোচারীরা পৃথিবীতে ফিরে আসবেন।

এই মিশনের সফল সমাপ্তি মূলত পরবর্তী মিশন ‘আর্টেমিস-৩’-এর পথ প্রশস্ত করবে, যার মাধ্যমে মানুষ আবারও চাঁদের মাটিতে পা রাখার স্বপ্ন দেখছে।

এ বিভাগের আরও খবর

মানবদেহের জন্য টিকা তৈরি করল এআই
৩ মাস আগে
আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য সুখবর
৩ মাস আগে
এআই ভিডিও চিনতে ইউটিউবের বড় পরিবর্তন
৪ মাস আগে
জিমেইলে যুক্ত হলো ‘এআই ইনবক্স’
৪ মাস আগে

Advertise with us
Advertise with us
আরও বিবেকবার্তা সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com

শিরোনাম