নওগাঁর ধামইরহাটে প্রায় ছয় মাস আগে যৌতুক না দেওয়ায় নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে অনুষ্ঠিত সালিশে শাসন করার জের ধরে আব্দুল ওহাব নামে এক ব্যক্তিকে কাঠের বাটাম দিয়ে মাথায় আঘাতের অভিযোগ উঠেছে তার আপন ভাগ্নি জামাই আব্দুল মুমিনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করলে হামলাকারি মুমিনকে গ্রেফতার করেছে ধামইরহাট থানা পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) আহত ওহাবের স্ত্রী মোছা. কারিমা বেগম (২৪) বাদী হয়ে থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, মুমিনের বিরুদ্ধে তার স্ত্রীকে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগে প্রায় ছয় মাস আগে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে সালিশ হয়। সেখানে ওহাব তাকে স্ত্রীর ওপর নির্যাতন না করার জন্য ভাগ্নি জামাইকে শাসন করেন। এরপর জামাই মুমিন ক্ষুব্ধ হয়ে ওহাবকে বিভিন্ন ভাবে প্রাণনাশের হুমকি দেন ।
এরই ধারাবাহিকতায় গত বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় মঙ্গলবাড়ী বাজারে জনৈক মুজাহারের পশুখাদ্যের দোকানে ওহাবকে দেখতে পেয়ে মুমিন পেছন থেকে কাঠের বাটাম দিয়ে তার মাথায় একাধিকবার আঘাত করলে মামা শশুর ওহাব রক্তাক্ত জখম হয়ে মাটিতে পড়ে যান। এ সময় তার চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে মুমিন সেখান থেকে পালিয়ে যান। পরে ওহাবকে চিকিৎসার জন্য ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে মাথায় আটটি সেলাই দেন চিকিৎসক। জখমী ওহাব বর্তমানে ধামইরহাট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ধামইরহাট থানা পুলিশ মুমিনকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে ওসি মোঃ মিন্টু রহমান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে, দোষী সাব্যস্ত হলে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি বিজ্ঞ আদালত দিবেন এমনটাই প্রত্যাশা।