Advertise with us
সম্পূর্ণ নিউজ বিবেকবার্তা

প্রচ্ছদ / জাতীয়
১০:১১ এএম, ১৯ আগস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে স্মরণীয় অভ্যর্থনা জানানো হবে: দীনেশ ত্রিবেদী

প্রধানমন্ত্রীকে ভারতে স্মরণীয় অভ্যর্থনা জানানো হবে: দীনেশ ত্রিবেদী
নিজস্ব প্রতিবেদক
২ মিনিটে পড়ুন |

​বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে গেলে তাঁকে সর্বোচ্চ সম্মানের সঙ্গে স্মরণীয় একটি অভ্যর্থনা জানানো হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেন, ভারত সরকার প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক অভ্যর্থনা জানাতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে এবং এই সফরের সুফল শেষ পর্যন্ত দুই দেশের সাধারণ মানুষের কাছেই পৌঁছাবে।

​আজ মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে দ্য ওয়েস্টিন হোটেলে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাইকমিশনার এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ সফররত ভারতের শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠন কনফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান ইন্ডাস্ট্রির (সিআইআই) উচ্চপর্যায়ের ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদলের সম্মানে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ভারতীয় হাইকমিশন।

​অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, সিআইআইয়ের মহাপরিচালক চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জিসহ বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন খাতের শীর্ষ ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

​শীর্ষ নেতাদের বার্তা ও সফর নিয়ে কূটনৈতিক আলোচনা

​হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানান, ১০ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর তিনি সরাসরি দিল্লিতে গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁদের দ্রুত বৈঠকের ওপর জোর দিয়েছেন এবং আশ্বস্ত করেছেন যে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ভারত সফরে এলে তাঁকে তাঁর প্রাপ্য সর্বোচ্চ মর্যাদা ও স্মরণীয় অভ্যর্থনা দেওয়া হবে।

​উল্লেখ্য, তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কূটনৈতিক আলোচনা চললেও এখনো আনুষ্ঠানিক সম্মতি বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণ এবং শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় অভিযুক্তদের হস্তান্তরের বিষয়সহ বাংলাদেশের তোলা কয়েকটি শর্তের সমাধান এখনো বাকি রয়েছে।

​দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতি

​বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক প্রসঙ্গে হাইকমিশনার বলেন, “পরিবারের মতো দুই দেশের মধ্যেও কিছু ছোটখাটো ভুল-বোঝাবুঝি বা বাধা আসতে পারে, তবে তাতে সম্পর্ক ছিন্ন হয় না।” ভারতের ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, শর্তহীন পারস্পরিক বিশ্বাসই দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের মূল ভিত্তি। অতীত ও পুরোনো সমস্যাগুলো সমাধান করে উভয় দেশকে একসঙ্গে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

​বাণিজ্য ভারসাম্য ও ভিসা সহজীকরণের তাগিদ

​অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, ভারত বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বাণিজ্য অংশীদার হলেও বর্তমান বাণিজ্য কিছুটা ভারসাম্যহীন এবং সম্ভাবনার চেয়ে কম। তিনি আরও উল্লেখ করেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো নিজেদের অঞ্চলের চেয়ে বাইরের দেশের সাথে বেশি বাণিজ্য করে, যা পরিবর্তন করা প্রয়োজন।

​বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের জন্য ভারতে যাতায়াত সহজ করার লক্ষ্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিজনেস ভিসা প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুত বা তাৎক্ষণিক (Instant) করার আহ্বান জানান। এর ফলে দুই দেশের বেসরকারি খাতের যোগাযোগ ও বাণিজ্য আরও বৃদ্ধি পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

​সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সিআইআইয়ের মহাপরিচালক চন্দ্রজিৎ ব্যানার্জি। এছাড়া আইসিসি বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, প্রাণ-আরএফএল, ট্রান্সকম গ্রুপসহ বিভিন্ন শীর্ষ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিভাগের আরও খবর


Advertise with us
Advertise with us
আরও বিবেকবার্তা সংবাদ


Design and Development by : webnewsdesign.com

শিরোনাম